ঢাকা:তিন দফা দাবিতে আন্দোলনে নামা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ লাঠিচার্জ করেছে। এছাড়া কাঁদানে গ্যাস, জলকামান, সাউন্ড গ্রেনেডেও ব্যবহার করা হয়। এ সময় আনুমানিক ১১০ জন আহত হয়েছেন। তারা হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
বেতন গ্রেড বাড়ানোসহ তিন দফা দাবিতে রাজধানীর শাহবাগ এলাকায় শনিবার আন্দোলনে নামেন শিক্ষকরা।
ঢামেক হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, আহতদের সবাইকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হলেও ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার শিক্ষক আল মামুনকে (৪০) ভর্তি করানো হয়েছে। অন্যান্যরা প্রাথমিক চিকিৎসা শেষে হাসপাতাল ছেড়েছেন।
ঢাকা মেডিকেল পুলিশ ক্যাম্পের ইনচার্জ (ইন্সপেক্টর) মো. ফারুক বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, আন্দোলন চলাকালে শতাধিক আহতকে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। বেশিরভাগই টিয়ারগ্যাসে শ্বাসকষ্ট, মাথায় আঘাত বা হাত-পা ঘষে যাওয়ার মতো চোট পেয়েছেন। তবে শুনেছি এ ঘটনায় এক শিক্ষককে ভর্তি করা হয়েছে।
ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন (আরএস) ডা. মোস্তাক আহমেদ বলেন, শাহবাগের ঘটনায় আনুমানিক শতাধিক আহত লোক হাসপাতাল থেকে প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন। এদের মধ্যে আনুমানিক ২০ জনের শরীরে ছোট ধাতব বলের আঘাত দেখা গেছে। তবে এই আঘাতগুলো অধিকাংশ আহত ব্যক্তির পায়ে লেগেছে। চিকিৎসা দেওয়ার পর সবাই হাসপাতাল থেকে চলে গেছেন।

