ঐতিহাসিক স্বদেশ প্রত্যাবর্তন উপলক্ষে বিএনপি’র ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান জনাব তারেক রহমানকে বরণ করে নিতে জনসমুদ্রে পরিণত হয় ঢাকা মহানগরী। বৃহস্পতিবার (২৫ ডিসেম্বর) বিকেলে রাজধানীর ৩০০ ফিট সড়কের গণসংবর্ধনা মঞ্চে দেওয়া হয় তাঁকে গণসংবর্ধনা ।
আনন্দে উদ্বেল গণতন্ত্রকামী জনতার উত্তাল তরঙ্গের মধ্যে দাড়িয়ে তিনি জাতির উদ্দেশে বক্তব্য দেন। তাঁর বক্তব্যে ছিলনা কোন প্রভোকেশন, ইন্সটিগেশন, ইনসাইটমেন্ট। তার দৃঢ কন্ঠের বক্তব্যে ছিল শুধুই ঐক্য ও দেশ গড়ার আহবান।
কারো বিরুদ্ধে ছিল না কোন বিষেদাগার, ছিল না প্রতিশোধকে উসকে দেয়ার আহবান। লাখ লাথ জনশ্রোতের সামনে তার বক্তব্যে ছিল শুধইু ঐক্য ও দেশগড়ার আহবান। এমনকি তার দল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) কে নিয়ে ঢোল পেটানো ছিলনা।
একজন রাষ্ট্রনায়ক হয়ে উঠার পেছনে যেটা সবচেয়ে প্রত্যয়ী অবস্থান সেটা হলো – আই হ্যাভ অ্যাএ প্লান। তিনি বলেন, আই হ্যাভ অ্যা প্ল্যান। সেই প্লানটা হলো বাংলাদেশকে নিয়ে, বাংলাদেশের মানুষকে নিয়ে। আমরা বাংলাদেশের মানুষের প্রত্যাশিত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে চাই।
আনন্দে উদ্বেল গণতন্ত্রকামী জনতার উত্তাল তরঙ্গের মধ্যে দাড়িয়ে তিনি বলেন, বিভিন্ন আধিপত্যবাদী শক্তির গুপ্তচরেরা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্রে এখন লিপ্ত রয়েছে। আমাদেরকে ধৈর্যশীল হতে হবে, আমাদেরকে ধৈর্য ধারণ করতে হবে। বিশেষ করে তরুণ প্রজন্মের যে সদস্যরা আছেন, তোমরাই আগামী দিন দেশকে নেতৃত্ব দেবে, দেশকে গড়ে তুলবে। এই দায়িত্ব তরুণ প্রজন্মের সদস্যদের আজ গ্রহণ করতে হবে যাতে করে এই দেশকে আমরা সুন্দরভাবে গড়ে তুলতে পারি। শক্ত ভিত্তির উপরে, গণতান্ত্রিক ভিত্তিকে শক্তিশালী করে এবং অর্থনৈতিক ভিত্তির উপরে যাতে এই দেশকে আমরা গড়ে তুলতে পারি।

